Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

১ নভেম্বর হতে ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের সর্বত্র জাটকা ধরা, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, বিনিময় , ক্রয়-বিক্রয় এবং অবৈধ জালের ব্যবহার দন্ডনীয় অপরাধ। এ আইন অমান্যকারী কমপক্ষে ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হবেন।


আমাদের অর্জনসমূহ

আমাদের অর্জনসমূহ

  • সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ


    কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুযায়ী দেশের মোট জিডিপি’র ৩.৫২ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র এক-চতুর্থাংশের বেশি (২৬.৩৭ শতাংশ) মৎস্যখাতের অবদান। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল ৪২.৭৭, ৪৩.৮৪ ও ৪৫.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন। এছাড়া বিগত তিন অর্থবছরে ৬৮৯৩৫.৪৫, ৭৩১৭১.৩২ ও ৭০৯৪৫.৩৯ মে.টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে যথাক্রমে ৪৩০৯.৯৪, ৪২৫০.৩১ ও ৩৯৮৫.১৫ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ও বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৩য় ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০২০)। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় (এফএও, ২০২০)।